| ৬ ডিসেম্বর - বিরামপুর, বীরগঞ্জ ও বোচাগঞ্জ মুক্ত দিবস |
|
06 সোম, ডিসেম্বর 2010 12:20 অপরাহ্ণ
|
|
বিরামপুরে যুদ্ধ: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৭নং সেক্টরের তরঙ্গপুর কালিয়াগঞ্জ রণাঙ্গনে ২৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ গ্রহন করে। এই সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী যথাক্রমে মেজর নজমুল হুদা ও মেজর নুরুজ্জামান। দেশ মাতৃকার টানে বাংলার দামাল ছেলেরা দেশ স্বাধীন করার লক্ষ্যে তৎকালীন বিরামপুরে ৫টি দলে ভাগ হয়ে আব্দুল করিম, আনোয়ারুল হক, আজিজার রহমান, মজিবর রহমান ও বর্তমান বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ্র নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধারা বিরামপুরকে পাকহানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ঘোড়াঘাট রেলগুমটি, কেটরা শাল বাগান, ভেলারপাড় ব্রিজ, ডাক বাংলা, পূর্বজগন্নাথপুর মামুনাবাদে বাঙ্কার বসিয়ে সর্তক অবস্থায় থাকতেন। পাকসেনারা ৪ ডিসেম্বর পাইলট স্কুলের সম্মুখে ও ঘাটপাড় ব্রিজে প্রচন্ড শেলিং করে ভাইগড় গ্রাম দিয়ে তীরমনিতে ৪টি শেল নিক্ষেপ করে। লোমহর্ষক এ সম্মুখ যুদ্ধে কেটরা হাটে ১৬ মুক্তিযোদ্ধা সহ ৭ পাক হানাদার বাহিনী নিহত ও শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করে। এতে উপজেলার ২০ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন, পঙ্গু হন ২জন, যুদ্ধে মারাত্মক ভাবে আহত হন ১৩ জন। |