|
তৈলাক্ত বাঁশ ও পরিশ্রমী বানরের গল্পটি আর সমাপ্তি পায় না । আমরা ক্রমাগত উঠতে থাকি, উঠতে উঠতে পিছলে যাই । আমাদের জন্মক্ষন, আমাদের ধর্ম কোন কিছু বেছে নেয়ার অধিকার নেই । সার্টিফিকেটে জন্মতারিখ বসাচ্ছেন মূর্খ স্কুল শিক্ষক, কোথায় শ্রম দেব সেই সিদ্ধান্ত নেয় মামা-কাকার দল, কাকে বিয়ে করব কি করব না,সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন রাশভারি অভিভাবক ।
আমাদের ভাবনার দায় নিয়েছে কর্পোরেটরা, তারা বলে দিচ্ছেন কোন পন্য আমাদের প্রয়োজন,কোনটা দরকারী নয় । রাষ্ট্র বলছে ভাতের বদলে আলু খেতে,কর্তৃপক্ষ বলছে চুপ থাকতে ।
আমাদের কন্ঠ চেপে ধরেছে সুশীলতার খসখসে মোড়ক । আমরা ভাবতে শিখছি না,ভাবার ভান করছি ক্রমাগত । বুকের মাঝে জন্ম নেয়া প্রশ্নগুলো গিলে ফেলছি গলার কাছেই । আমাদের সম্পাদকরা নতজানু হন জাতীয় মসজিদে, পান খাওয়া দাত বের করে কেউ একজন বলে দিচ্ছেন আমরা কী ভাবব,আর কী ভাবব না ।
আমাদের চিন্তার জালে তাই মাকড়সারা মৃত, আমাদের নিউজপ্রিন্ট তাই সুশীল টয়লেট পেপার, আমাদের দূরদর্শনের পর্দা মূর্খ মালিকের গায়িকা স্ত্রীর রঙঢং ।
আশ্রয় ছিল অন্তর্জাল । হায় , সেখানেও মুখের উপরে ক্রমাগত স্কচটেপ চেপে ধরছেন সুশীলের ঠিকাদাররা । লিখতে চেয়েছিলাম অনেক কিছুই,কিন্তু কানের কাছে ক্রমাগত হাউস দ্যাট চিৎকার করে যাচ্ছে মূর্খ ইতররা । কেউ দরজায় আগল দিয়েছেন,কেউ ঘুম ভেঙ্গেই আমার সাজানো লেখাকে পাঠাচ্ছেন কারাগারে ।
এখনই উপযুক্ত সময় কিছু একটা করার । এখনই তৈরী করতে হবে নিজের বাকভূম । গলা ছেড়ে বলার মতো একটা মঞ্চ চাই, বুক ভরে টেনে নেয়ার জন্য চাই একটু বিশুদ্ধ বাতাস ।(internet)
 |